জশনে জুলূস বা শোভা যাত্রা ব়্যালী, মিছিল
বের করা সম্পূর্ণ হাদিস সম্মত
====================
--আলহাজ্ব মুফতী এস এম সাকীউল কাউছার
মুসলিম শরীফ ২য় খণ্ডের শেষে ' হাদিসুল হিজরত ' শিরোনাম অধ্যায়ে হযরত বরা (রা) হতে বর্ণিত আছে, হুজুর (সা:) যখন মক্কা ত্যাগ করে মদিনায় হিজরত করলেন, তখন তাঁকে কী রকম স্বাগত জানানো হয়েছিল তা হাদিসের ভাষায় শুনুন:
فصعد الرجال والنساء فوق البيوت وتفرق الغلمان والخدم فى الطرق. ينادون يا محمد يا رسول الله يا محمد يا رسول الله.
অর্থাৎ: তখন মদীনার নারী-পুরুষ, ঘরের ছাদ সমূহের ওপর আরোহণ করেন ৷ ছোট ছেলে-মেয়ে ও ক্রীতদাসগণ মদিনার অলিতে-গলিতে ছড়িয়ে পড়েন, সবাই ‘ইয়া মুহাম্মদ’, ‘ইয়া রাসূলাল্লাহ’, ‘ইয়া মুহাম্মদ’, ‘ইয়া রাসূলাল্লাহ’, ধ্বনিতে আকাশ-বাতাস মুখরিত করে তোলেন ৷
মুসলিম শরীফের এ হাদিসে ' নারায়ে রেসালত ' ধ্বনি তোলার সুস্পষ্ট প্রমাণ পাওয়া যায়৷ জানা গেল যে, সাহাবায়ে কেরাম (রা:) 'নারায়ে রেসালত ' ধ্বনি তুলতেন ৷ এই হাদিসে হিজরতে এ কথাও আছে যে, সাহাবায়ে কেরাম 'জুলুস ' বা শোভাযাত্রা ব়্যালী বা মিছিলও বের করেছেন৷
হুজূর (সা:) যখনই কোনো সফর থেকে মদীনা শরীফে ফিরে আসতেন, তখন মদীনাবাসীগণ তাঁকে প্রাণঢালা শুভেচ্ছা ও সম্বর্ধনা জানাতেন এবং তাঁর সম্মানার্থে জুলূস বের করতেন৷ [ বোখারী ও মেশকাত দ্রষ্টব্য ]
উল্লেখ্য যে, আরবী 'জলসা ' শব্দের অর্থ হলো বৈঠক বা উপবেশন করা৷ এ শব্দটির বহুবচন হচ্ছে 'জুলূস', যেমন ( جلده ) জলদাহ বহুবচন হচ্ছে (جلود ) জুলূদ, যার অর্থ হচ্ছে বেত্রাঘাত৷
নামাজ-ও আল্লাহর জিকিরের 'জলসা ', যা এক-ই জায়গায় বসে সম্পন্ন করা হয় ৷
আর হজ্ব হচ্ছে জিকিরের 'জুলূস', যা এক বৈঠকে সম্পন্ন করা যায় না, বরং বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে ফিরে সম্পন্ন করতে হয়৷
কুরআন থেকে প্রমাণ পাওয়া যায় যে, 'তাবুতে ছকীনা ' ( বনী ঈসরাঈলের অতি বরকত-মণ্ডিত 'সমশাদ ' কাঠের নির্মীত একটি বাক্স, যেখানে মূসা (আ:) ও হারূন (আ:)-এর লাঠি, পাগড়ী, পাদুকা ও কাপড়-চোপড় রক্ষিত ছিল) ফিরিস্তগণ জুলূস সহকারে নিয়ে এসেছিলেন৷
হুজুর (সা:)-এর বেলাদত তথা ধরাধামে শুভাগমনের লগ্নে এবং মিরাজের রাতে ফিরিস্তাগণ তাঁর সম্মার্থে 'জুলূস ' বের করেছিলেন৷
সৎ ও পুতঃপবিত্র মাখলুকের (সৃষ্টিকুলের) অনুকরণ করাও পুণ্যের কাজ৷ সুতরাং বর্তমানে জুলূসের যে প্রচলন আছে, তা পূর্বসুরীদের অনুকরণ বিধায় এটি একটি সওয়াব তথা পুণ্যদায়ক কাজ৷
*সমাপ্ত*
অর্থাৎ: তখন মদীনার নারী-পুরুষ, ঘরের ছাদ সমূহের ওপর আরোহণ করেন ৷ ছোট ছেলে-মেয়ে ও ক্রীতদাসগণ মদিনার অলিতে-গলিতে ছড়িয়ে পড়েন, সবাই ‘ইয়া মুহাম্মদ’, ‘ইয়া রাসূলাল্লাহ’, ‘ইয়া মুহাম্মদ’, ‘ইয়া রাসূলাল্লাহ’, ধ্বনিতে আকাশ-বাতাস মুখরিত করে তোলেন ৷
মুসলিম শরীফের এ হাদিসে ' নারায়ে রেসালত ' ধ্বনি তোলার সুস্পষ্ট প্রমাণ পাওয়া যায়৷ জানা গেল যে, সাহাবায়ে কেরাম (রা:) 'নারায়ে রেসালত ' ধ্বনি তুলতেন ৷ এই হাদিসে হিজরতে এ কথাও আছে যে, সাহাবায়ে কেরাম 'জুলুস ' বা শোভাযাত্রা ব়্যালী বা মিছিলও বের করেছেন৷
হুজূর (সা:) যখনই কোনো সফর থেকে মদীনা শরীফে ফিরে আসতেন, তখন মদীনাবাসীগণ তাঁকে প্রাণঢালা শুভেচ্ছা ও সম্বর্ধনা জানাতেন এবং তাঁর সম্মানার্থে জুলূস বের করতেন৷ [ বোখারী ও মেশকাত দ্রষ্টব্য ]
উল্লেখ্য যে, আরবী 'জলসা ' শব্দের অর্থ হলো বৈঠক বা উপবেশন করা৷ এ শব্দটির বহুবচন হচ্ছে 'জুলূস', যেমন ( جلده ) জলদাহ বহুবচন হচ্ছে (جلود ) জুলূদ, যার অর্থ হচ্ছে বেত্রাঘাত৷
নামাজ-ও আল্লাহর জিকিরের 'জলসা ', যা এক-ই জায়গায় বসে সম্পন্ন করা হয় ৷
আর হজ্ব হচ্ছে জিকিরের 'জুলূস', যা এক বৈঠকে সম্পন্ন করা যায় না, বরং বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে ফিরে সম্পন্ন করতে হয়৷
কুরআন থেকে প্রমাণ পাওয়া যায় যে, 'তাবুতে ছকীনা ' ( বনী ঈসরাঈলের অতি বরকত-মণ্ডিত 'সমশাদ ' কাঠের নির্মীত একটি বাক্স, যেখানে মূসা (আ:) ও হারূন (আ:)-এর লাঠি, পাগড়ী, পাদুকা ও কাপড়-চোপড় রক্ষিত ছিল) ফিরিস্তগণ জুলূস সহকারে নিয়ে এসেছিলেন৷
হুজুর (সা:)-এর বেলাদত তথা ধরাধামে শুভাগমনের লগ্নে এবং মিরাজের রাতে ফিরিস্তাগণ তাঁর সম্মার্থে 'জুলূস ' বের করেছিলেন৷
সৎ ও পুতঃপবিত্র মাখলুকের (সৃষ্টিকুলের) অনুকরণ করাও পুণ্যের কাজ৷ সুতরাং বর্তমানে জুলূসের যে প্রচলন আছে, তা পূর্বসুরীদের অনুকরণ বিধায় এটি একটি সওয়াব তথা পুণ্যদায়ক কাজ৷
*সমাপ্ত*
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন